শিরোনাম:
ডলার ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে বিভিন্ন কোম্পানি ইচ্ছামতো পণ্যের দাম নির্ধারণ করে ভোক্তাদের পকেট কাটছে। দেশের পাড়া মহাল্লা থেকে শুরু রাজধানীর বাজার পর্যন্ত একই দামে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ইউনিলিভারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, আমাদের বলছেন কেন, ইউনিলিভার কোম্পানিকে বলেন, তারা তো ইচ্ছা মতো দাম নিচ্ছে।ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আফরোজা রহমান এক চিঠিতে সাবান, ডিটারজেন্ট, পেস্ট, লিকুইড ক্লিনারসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য তালিকা নিয়ে আসতে বলেছেন।
আগে যে হইল সাবান ২৫ টাকা তা ৩০ টাকা হয়ে গেছে। ৫৫ টাকার বড় লাক্স ৭৫ টাকা, ৩৫ টাকার ভিমবার ৪০ টাকা, ৯২ টাকার হুইল ১৪২ টাকা, ২১০ টাকার সার্ফএক্সএল ২৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এভাবে সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তা দেখার কেউ নেই।’
এ ব্যাপারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভারসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে ডাকা জানতে চাওয়া হবে ‘কেন সাবান, ডিটারজেন্ট, পেস্টের দাম এত বাড়ল। তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে, এটা কতটুকু যৌক্তিক তা নিয়ে জিজ্ঞেস করা হবে। তাদের চিঠি দিয়ে দুই বছর, এক বছর, ছয় মাস ও আজকের পণ্য তালিকা চাওয়া হয়েছে। দেখা হবে দামের পার্থক্য কত হয়েছে।
তিনি বলেন, কেউ অভিযোগ করুক বা না করুক একজন ভোক্তা হিসেবে আমারও দায়িত্ব আছে বাজারে কী হচ্ছে তা দেখার। ভোক্তার পকেট যাতে কম কাটা হয় সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইউনিলিভার যা করছে এটা আগে কেউ কখনো দেখেনি। তাইতো ভোক্তাদের পকেট থেকে টাকা চলে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউনিলিভারের ব্রান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন শামিমা আখতার পরিচালক বলেন, ডলারের দাম বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। আমাদের কাঁচামাল এনে পণ্য তৈরি করতে হয়। তাই আমাদের পণ্যের দামও বৃদ্ধি করা হয়েছে ।’